এনামুল হক জুয়েল,( ঝিকরগাছা) : যশোরের ঝিকরগাছা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জাহাঙ্গীরের ঘুষ বাণিজ্য এখন তুঙ্গে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অভিযুক্ত ঐ শিক্ষা কর্মকর্তা, ৮ মার্চ অবসরে যাবেন।তাই যাওয়ার আগেই তিনি ভবিষ্যৎ গুছি নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন । তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ মামলা থাকার পরেও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার আস্থাভাজন হওয়ার সুবাদে কামরুজ্জামান মো:জাহাঙ্গীর ঝিকরগাছাসহ অতিরিক্ত আরো যশোর সদর, চৌগাছা ও শার্শা উপজেলার দায়িত্ব পালন করেন। কামরুজ্জামান একা ৪ উপজেলার (শিক্ষা কর্মকর্তার) দায়িত্ব পেয়ে তার পকেট ভারি করতে তিনি ঝিকরগাছায় তপন কুমার মন্ডল, শার্শায় বাচ্চু, সদরে মুজিবর ও চৌগাছায় বিশারতকে তার ক্যাশিয়ার নিযুক্ত করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, মাধ্যমিক শিক্ষকদের এমপিওর জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস থেক জেলা শিক্ষা অফিসে তথ্য প্রেরণ করতে হয়। অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা রাতারাতি পকেট ভরতে তার ক্যাশিয়ারদের মাধ্যমে শিক্ষদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তথ্য প্রেরণ করেন। যে সকল শিক্ষক টাকা দিতে অস্বীকার করেন তাদের তিনি নানা ভাবে হয়রানী করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমন কি তার ক্যাশিয়ার তপন কুমার মন্ডল শিক্ষকদের জিম্মী করে , মিষ্টি খাওয়ার টাকা আদায় করেন বলেও অনেক শিক্ষক বলে থাকেন। এবিষয়ে
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংবাদকর্মীর পরিচয় পেয়ে ফোন কেটে দেন।