২৮ জুলাই থেকে হজের কার্যক্রম শুরু হবে

এই বছর, সৌদির হজ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এবছর কেবল সৌদি আরবে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতীয়তার ব্যক্তি হজ আদায় করতে পারবে। এই বছর ২৮ জুলাই থেকে হজের কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী তৌফিক আল-রাবিয়া বলেছেন, ৬৫ বছরের বেশি বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় থাকা কাউকে হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে না। পবিত্র মক্কা শহরে আসার আগে হজযাত্রীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হবে এবং হজ শেষে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

২৮ জুলাই থেকে হজের কার্যক্রম শুরু হবে
ছবি : গুগল

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি হজ। এটি শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম মুসলমানদের পক্ষে তাদের জীবদ্দশায় কমপক্ষে একবার সম্পাদন করা ফরজ।

এই বছর, সৌদির হজ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে এবছর কেবল সৌদি আরবে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতীয়তার ব্যক্তি হজ আদায় করতে পারবে।

এই বছর ২৮ জুলাই থেকে হজের কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সৌদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী তৌফিক আল-রাবিয়া বলেছেন, ৬৫ বছরের বেশি বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতায় থাকা কাউকে হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হবে না।

পবিত্র মক্কা শহরে আসার আগে হজযাত্রীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হবে এবং হজ শেষে নিজ বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (সিডিসি) এক বিবৃতি অনুযায়ী, এ বছর হজের সময় ইসলামের পবিত্রতম স্থান কাবাকে স্পর্শ বা চুম্বন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাওয়াফ ও নামাজ আদায়ের সময় একজন থেকে অন্যজনকে দেড় মিটার দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

পাথর নিক্ষেপের যে রীতি আছে সেখানে বিশেষ ধরণের পাথর ব্যবহার করতে হবে।

হজযাত্রী ও আয়োজকদের সকলের মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক। জামাত নামাজের অনুমতি দেওয়া হলেও মুসল্লিদের মাস্ক পরতে হবে ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

এছাড়াও মিনা, মুজদালিফাহ ও আরাফাতের পবিত্র স্থানগুলোতে ১৯ জুলাই রোববার থেকে শুরু হয়ে ২ আগস্ট অবধি হজ্জের অনুমতি ছাড়া যেতে পারবেন না।

মক্কার এই সুবিশাল মসজিদের সকল ফ্রিজ সরিয়ে নেয়া হবে, যার যার ব্যক্তিগত পানির পাত্রে পানি নিয়ে পান করতে হবে। আলাদা খাবারের ব্যবস্থা থাকবে।

যে তাবুর নিচে হাজিরা অবস্থান করেন সেখানে প্রতি ৫০ বর্গমিটারে ১০ জনের বেশি থাকা যাবে না।

সৌদি আরবের প্রায় ৯০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো বিদেশী হজযাত্রীদের হজ পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

অতীতে যুদ্ধ ও মহামারীর কারণে হজ বাতিল করা হলেও ১৯৩২ সালে সৌদি আরব প্রতিষ্ঠার পর থেকে আর হজ বাতিল করা হয়নি।

হজ করতে অন্যান্য দেশের নাগরিকদের নিষিদ্ধ করায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

সৌদি আরবের ঘোষণার আগেই ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সেনেগাল ও সিঙ্গাপুর করোনার উদ্বেগের কারণে তাদের নাগরিকদের এ বছর হজ পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

সূএ নয়াদিগন্ত