স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের পত্রিকাতে আসছে যে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদফতরেরে মধ্যে এখন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, আমরা তো রিজেন্ট হসপিটালকে অনুমোদন দিতাম না যদি মন্ত্রণালয় থেকে না বলা হতো। অর্থাৎ মিনিস্ট্রি (মন্ত্রণালয়) থেকে বলা হয়েছে, রিজেন্ট হাসপাতালকে অনুমতি দাও তারা পরীক্ষা করবে। তাহলে এটা কার দায়িত্ব? এর দায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। তাকে দ্রুত দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করা উচিৎ।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত: ফখরুল
ফাইল ছবি

রিজেন্ট হাসপাতালের অনুমোদনের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে অবিলম্বে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে উত্তরার বাসা থেকে এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কোভিড-১৯ রোগীদের স্বাস্থ্যসেবায় হটলাইন কল সেন্টার উদ্বোধন উপলক্ষে এই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান হয়। পরে কল সেন্টার ০৯৬৭৮১০২১০২ নাম্বারে ফোন করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের পত্রিকাতে আসছে যে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্বাস্থ্য অধিদফতরেরে মধ্যে এখন যুদ্ধ শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, আমরা তো রিজেন্ট হসপিটালকে অনুমোদন দিতাম না যদি মন্ত্রণালয় থেকে না বলা হতো। অর্থাৎ মিনিস্ট্রি (মন্ত্রণালয়) থেকে বলা হয়েছে, রিজেন্ট হাসপাতালকে অনুমতি দাও তারা পরীক্ষা করবে। তাহলে এটা কার দায়িত্ব? এর দায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। তাকে দ্রুত দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করা উচিৎ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে দুঃখ হয়, লজ্জা হয় যখন দেখি প্রচণ্ড দুঃসময়ের মধ্যে করোনা টেস্ট করতে গিয়ে দুর্নীতি। এর সঙ্গে জড়িত কে? আওয়ামী লীগের সদস্য আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ লোকেরা। আজকে গোটা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলেছে, ভঙ্গুর হয়ে গেছে। যে হারে লুটপাট করেছে আপনারা সবাই দেখেছেন, গণমাধ্যম দেখে। আমি গণমাধ্যমের যারা কর্মী ও সাংবাদিক আছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে, এই চরম বৈরিতার মধ্যেও যখন কোনো সংবাদ প্রকাশ করা বিপজ্জনক তখন তারা অনেকটা প্রকাশ করছেন যেগুলো জনগণ জানতে পারছে এই সরকারের আমলে কীভাবে দুর্নীতি ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর হচ্ছে।’

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নেয়া কর্মসূচিসমূহের প্রশংসা করে ফখরুল বলেন, ‘একটা কথা বলে রাখতে চাই, গোটা পৃথিবীর সভ্যতা আগের অবস্থায় আর থাকবে না, পরিবর্তন হবে, হচ্ছে। কী বদলাবে, কীভাবে বদলাবে সেটা আমরা সবাই জানি না। কিন্তু পরিবর্তনগুলো হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা প্রয়োজন। আমাদেরকে আজকে জনগণের আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন। সরকার আমাদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে, চরম দুর্দিনেও তারা মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে না, তারা লুট করছে। আমরা ব্রিটিশ আমলে দেখেছি, ব্রিটিশরা সম্পদ লুট করে নিয়ে গেছে, পাকিস্তান আমলে দেখেছি, পাকিস্তানিরা সব লুট করে নিয়ে গেল, এখন দেখছি আওয়ামী লীগ মানুষের পকেট কেটে সব লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থা থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই, আমরা মানুষের জীবন বাঁচাতে চাই এবং জনগণের জীবিকাকে আরও বিকশিত করতে চাই।’

সূএ সময়েরকন্ঠসর