স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে মানুষকে সহযোগিতা

বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ সংকটে জমি ও স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে বিএনপি নেতারা অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করেছে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারীতে এ পর্যন্ত ৫৬ লাখ পরিবারের প্রায় সোয়া দুই কোটি মানুষকে বিএনপি এবং এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। আমাদের দলের কেউ কেউ জমি বিক্রি করে, স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে এই দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, রিলিফ দিয়েছে।

স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে মানুষকে সহযোগিতা
ছবি: সংগৃহীত স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে মানুষকে সহযোগিতা

বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ সংকটে জমি ও স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে বিএনপি নেতারা অসহায় মানুষকে সহযোগিতা করেছে বলে দাবি করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারীতে এ পর্যন্ত ৫৬ লাখ পরিবারের প্রায় সোয়া দুই কোটি মানুষকে বিএনপি এবং এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। আমাদের দলের কেউ কেউ জমি বিক্রি করে, স্ত্রীর গহনা বিক্রি করে এই দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, রিলিফ দিয়েছে।

রোববার রাতে বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট রিসার্চ অ্যান্ড কমিউনিকেশন আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় করোনা পর্যবেক্ষণ সেলের আহ্বায়ক বলেন, আমি খুব আনন্দিত যে আমাদের দলের কর্মীরা খুবই নিবেদিত। তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার কারণে আমরা প্রায় ৫৬ লাখ পরিবারকে রিলিফ বিতরণ করেছি। প্রায় সোয়া দুই কোটি মানুষকে আমরা সহযোগিতা করতে পেরেছি।

টুকু বলেন, বাংলাদেশে ১৭ থেকে ১৮ কোটি মানুষের জন্য কোনো সরকারি হাসপাতালে একটা আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স নেই। এ জন্য কি আমরা '৭১-এ মুক্তিযুদ্ধ করেছি? বেসরকারি হাসপাতালে হাতেগোনা কয়েকটি আছে, তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ বাংলাদেশের মতো জায়গায় আমরা হিসাব করে দেখেছি, যে উপজেলা পর্যায়ে ৫টি ও জেলা পর্যায়ে ২০টি করে আইসিইউ বেড করা হয়, তা হলে সর্বমোট খরচ লাগে মাত্র তিন হাজার কোটি টাকা। সোফিয়া নামক রোবট এনে ১২ কোটি টাকা খরচ করা হয়। জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করার জন্য ১২০০ কোটি টাকা খরচ করা হয়। শেয়ার মার্কেট থেকে এক লাখ কোটি টাকা পাচার হয়।

তিনি বলেন, ‘করোনা প্রতিরোধের জন্য যদি জানুয়ারি থেকে প্রস্তুতি নিত, তা হলে আমাদের এই দিনটি দেখতে হতো না। এখন মৃত্যুর মিছিল লম্বা হচ্ছে। বাতাসে লাশের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। সরকার কারোনা নিয়ে যে তথ্য দিচ্ছে তার থেকে প্রায় ২০ থেকে ৪০ ভাগ বেশি মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে, মারা যাচ্ছে। অনেকেই লক্ষণ নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, টেস্ট করাতে পারছে না এবং টেস্ট করতে এসে অনেকে মারা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে আমরা এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির তলানিতে যাচ্ছি।’

টুকু বলেন, ‘এখন মানুষের মধ্যে এমন ভীতি কাজ করছে যে, জ্বর হলেও বলে না, ভয় পায়। বললে যদি একঘরে হয়ে যায়, তাকে ফেলে চলে যায়। কিন্তু বিএনপি মানুষের পাশে আছে, থাকবে।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জহির উদ্দিন স্বপনের সঞ্চালনায় আলোচনায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বক্তব্য রাখেন।

সূএ যুগান্তর