হঠাৎ লাদাখে মোদি

হঠাৎ করেই শুক্রবার সকালে লাদাখে পা রাখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি। গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথমবার তিনি সেখানে গেলেন। সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সেনাবাহিনীর মনোবল অনেকটাই বাড়ল। আর চীনকেও কড়া বার্তা দেয়া হলো।

হঠাৎ  লাদাখে মোদি
ছবি : সংগৃহীত

হঠাৎ করেই শুক্রবার সকালে লাদাখে পা রাখলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি। গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথমবার তিনি সেখানে গেলেন। সেখানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সেনাবাহিনীর মনোবল অনেকটাই বাড়ল। আর চীনকেও কড়া বার্তা দেয়া হলো।

মোদির সঙ্গে এদিন ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধান সিডিএস জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও স্থলবাহিনীর প্রধান মনোজ মুকুন্দ নারভনে। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সেনার তাঁবুতে বসে রয়েছেন মোদি। সঙ্গে রাওয়াত, নারভানে এবং সেনাকর্তারা। সকলের মাঝেই রয়েছে যথেষ্ট দূরত্ব। খবর, মোদির সঙ্গে সেখানে রয়েছেন সেনা, বিমান এবং আইটিবিপি–র অফিসাররা।

প্রধানমন্ত্রী দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, নিমুতে রয়েছেন মোদি। শুক্রবার ভোরে সেখানে পৌঁছেছেন। আজই ফিরে আসবেন। সিন্ধুর তীরে এই নিমু সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১ হাজার ফিট উচ্চতায় রয়েছে। চারদিকে ঘিরে রয়েছে জানস্কার পর্বশ্রেণী। বিশ্বের কঠিনতম অঞ্চল বলা যেতে পারে।

গত রোববার ‘‌মন কি বাত’‌ অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, ‘‌লাদাখের দিকে যেই চোখ তুলে তাকাবে, তাকে যোগ্য জবাব দেয়া হবে। ভারত যেমন বন্ধুত্ব রক্ষা করতে জানে, তেমনই মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যোগ্য জবাব দিতেও জানে। আমাদের জওয়ানরা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, যে কেউ ভারতমাতাকে অপমান করতে চাইলে ওরা ছাড়বেন না।’‌

বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের লাদাখ যাওয়ার কথা ছিল। শেষ মুহূর্তে বাতিল হয় সফর। কেন বাতিল, স্পষ্ট জানা যায়নি। শোনা গেছিল, চীন গালওয়ানে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে সেনা সরাতে রাজি হয়েছে বলেই রাজনাথের সফর স্থগিত করা হয়। কেউ কেউ মনে করেন, ভারত সংঘাত চায় না বলে বার্তা দিয়েছে। কিন্তু এদিন মনে করা হচ্ছে, মোদির সফরের জন্যই তা বাতিল হয়েছে।

১৫ জুন পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ রেখায় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় ভারত ও চীনের। নিহত হন ২০ জন ভারতীয় সৈন্য। চীন হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি।
সূত্র : আজকাল