অবৈধ ভাবে নৌ পথে ভোলা পাড়ি, সংবাদ সংগ্রহে করতে গেলে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টা ও ক্যামেরা ভাংচুর

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: মোঃহাসান রিফাত। অবৈধ ভাবে নৌ পথে গভীর সমুদ্র দিয়ে ভোলা পাড়ি সংবাদ সংগ্রহে করতে গেলে চট্টগ্রামে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টায় হামলা ও ক্যামেরা ভাংচুর।

অবৈধ ভাবে নৌ পথে ভোলা পাড়ি, সংবাদ সংগ্রহে করতে গেলে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টা ও ক্যামেরা ভাংচুর
ছবি : banglarkagoj.com

মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে
থমকে গিয়েছে পৃথিবী অচল হয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক ব্যবসা বানিজ্য অচল হয়ে পড়েছে বিশ্বের অর্থনৈতিক সকল কাযক্রম, বিশ্বের অন্যান্য দেশ গুলোর মত আমাদের বাংলাদেশ চলছে লকডাউন। 

সরকারি ভাবে বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে বাংলাদেশের অধিকাংশ শিল্প ও পোশাক কারখানা, করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জনগণকে রক্ষা করার লক্ষে বাংলাদেশ সরকার গণ পরিবহন সম্পর্ন বন্ধ ঘোষণা করেছে সে সাথে শহরে বসবাসরত সকলকে শহর না ছাড়ার /গ্রামের বাড়ি যাওয়ার না যাওয়ার কঠোর সিদ্ধান্ত দিয়েছে প্রশাসনিক।

 কর্মকর্তারা
বাংলাদেশ সরকারের এ আদেশ না মনে একটি অপরাধী চক্র চট্টগ্রামের আকমল আলী বেড়িবাধ সাগর পাড় জেলে পাড়া থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন নৌ পথে গভীর সমুদ্র পাড়ী দিচ্ছেন শত শত পোশাক শ্রমিকরা।


স্থানীয় একটি বিশেষ সূত্রে জানা যায় ডালিম মাঝি-ইউনুসের অধিনে সোর্স সোহেলের সার্বিক সহযোগিতায় এ অবৈধ নৌ পথে যাত্রী নিয়ে গভীর সমদ্র পাড়ী দেওয়ার কাজক্রম প্রতিনিয়ত চলছে।


এ দিকে গত ২৩ জুন দিবাগত রাত প্রায় ১১ টায় অবৈধ ভাবে যাত্রী নিয়ে নৌ ছাড়ার খবর পেয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকার ১১ জন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের জন্য নগরীর ইপিজেড থানাদ্বীন আকমল আলী বেরীবাদ সাগরপাড় জেলেপাড়ায় গেলে উপস্থিত সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ভাংচুর করে।

সাংবাদিকদেকে হত্যা করার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন
ডালিম মাঝি ইউনুসের সন্ত্রাসী বাহিনী সাংবাদিকদের হামলাই প্রকাশে যারা জড়িত ছিলেন তারা হলেন দোলাল, সালাউদ্দিন, সোহেল, প্রোঃ সোর্স সোহেল গিয়াসউদ্দিন নেতৃত্বের আড়ালে ইনুস বড়মিঞা মাহাবুব, আঃ হক প্রকাশ বরাইয়া,  ইমন এরা ত্রিশ চল্লিশ জনের একটা গুরুপ।

 ঘটনা স্থলে থেকে কোনো রকম পালিয়ে এসে ইপিজেড থানায় কল দিলে কল দেওয়ার ১০-১৫ মিনিটের মাথায় পুলিশ আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যাই।

এ বিষয়ে ইপিজেড থানার ওসি তদন্ত মোঃহোসেনের কাছে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কে তিনি বলেন সাংবাদিকদের হামলার ঘটনাই জড়িতদের আইনে আওতায় আনা হচ্ছে।


সাংবাদিক দের হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম রিপোর্টাস ইউনিটি,জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ , চট্টগ্রাম সাংবাদিক কল্যান এসোসিয়েশনের নেতারা আসামি দের কে অতি শীর্ঘই গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার আহবান জানিয়েছেন।